ইন্টারনেটে বিভিন্ন সময় আমরা
ব্রাউজার হাইজ্যাকিংয়ে শিকার হয়ে থাকি।যার ফলে কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার
সম্ভাবনা থাকে,গুরুত্বপূন্র্
ডাট চুরি হয়ে যেতে পারে,হ্যাকিংয়ের শংকা বেড়ে যায়।কিছু বিষয় খেয়াল
করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারেন
আপনার ব্রাউজার হ্যাইজ্যাক হয়েছে কি না,যেমন-
১.ব্রাউজার চালু অবস্থায় ঘনঘন পপআপ উইন্ডো চালু হচ্ছে।
২.ব্রাউজার বন্ধ করার পরও কিছু সাইট সন্দেহজনকভাবে চালু
হচেছ।
৩.ব্রাউজার চালু করলে হোমপেজ হিসাবে নির্ধারিত সাইটের বদলে
অন্য কোন সন্দেহজনক সাইট চালু হচ্ছে যা সর্ম্পকে আপনি মোটেও অবগত নন।
৪.ব্রাউজারের এ্যাড্রেসবারে কোন সাইটের ঠিকানা লিখলেই তা
নির্দিষ্ট একটি সাইটে রিডাইরেক্ট হয়ে চলে যাচ্ছে।
ব্রাউজার হ্যাইজ্যাকের আশংকা কমাতে যে বিষয়গুলো খেয়াল
রাখবেন-
১.ব্রাউজারে কোন সর্তকতা বার্তা আসলে তা না পড়েই ক্লীক
করবেন না।
২.সন্দেহজনক ইমেইল খুলবেন না।বিশেষ করে অপরিচিত
ইমেইল থেকে আসা অ্যাটাচ ফাইল খুলবেন না এবং ইমেইলের উত্তর দেবেন না।
৩.ভাইরাসের কারনে এই সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত
হালনাগাদ এ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
৪.উইন্ডোজের বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত ক্রটির কারনে এই সমস্যা
হতে পারে।তাই উইন্ডোজের সিকিউরিটি প্যাচ হালনাগাদ করার চেষ্টা করুন।
৫.অকারনে পর্নোগ্রাফিক/ক্র্যাক/সিরিয়াল সাইটে প্রবেশ করবেন
না।





0 আপনার মতামত:
Post a Comment
আপনার যদি ভাল লাগে তাহলে আমরা খুশি হব। আমাদের অনুপ্রেরণা জানাতে কমেন্ট করুন আমাদের কে । আমরা আপনাকে আরও ভাল পোস্ট দেওয়ার চেষ্ঠা করব।
ভাই আমি যে বিষয় গুলো জানি তা পোস্ট করি ।
(বি:দ্র: যদি মনে হয় আমি এই বিষয় টি কপি করেছি তাহলে হ্যা কপি করেছি । কারণ আমি বিষয় টি সম্পর্কে কিছু জানি আর অন্য কে জানাতে পারি আরও সহজ ভাবে লিখি। ভাই অংক দুই ভাবে করা যায় একটি হচ্ছে সহজে আর একটি নিয়ম হচ্ছে কঠিন নিয়ম। আমি সহজ এবং সঠিক নিয়মে যদি কোন বিষয় প্রকাশ করি তাহলে ত হল। এতে করে যে লোক গুলো ভাল ভাবে কম্পিউটার জানে না তারা জানতে পারবে। আপনি কী চান না আমাদের দেশের সকল লোক কম্পিউটার সম্পর্কে জানুক? বি:দ্র টি লেখলাম য়ারা কম্পিউটার সম্পকে ভালে বা বেশি জানেন তাদের জন্য )