Home » » অনলাইন নজরদারিতে গোয়েন্দা সফটওয়ার ফিনফিশার(এই বিষয় নিয়ে আপনি আরও বেশি জানলে জানাবেন)

অনলাইন নজরদারিতে গোয়েন্দা সফটওয়ার ফিনফিশার(এই বিষয় নিয়ে আপনি আরও বেশি জানলে জানাবেন)

সন্ত্রাসী শনাক্তকরণ, সংঘটিত অপরাধ চিহ্নিতকরণ, অপহরণ এবং মানব পাচাররোধে বিশ্বের ২৫টি দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে গোয়েন্দা সফটওয়ার ফিনস্পাই। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশেও এ সফটওয়ারটির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের ব্লগ ‘বিটস’ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এফ সিকিউর’ সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন নজরদারিতে ‘ফিনফিশার’ নামের এ সফটওয়ারটি ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, ব্রুনাই, কানাডা, চেকরিপাবলিক, এস্তোনিয়া, ইথিওপিয়া, জার্মানি, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, হল্যান্ড, কাতার, সার্ভিয়া, সিঙ্গাপুর, তুর্কমেনিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামও ব্যবহার করে। সূত্র মতে, বাইরাইনে সরকারবিরোধী কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণে ব্যবহারের পর সফটওয়ারটি সম্পর্কে জানতে পারে বিশ্ববাসী। এরপর থেকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙের দায়ে এ ধরনের সফটওয়ার ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এদিকে বাংলাদেশে এ সফটওয়ারটি ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রযুক্তবিদ জানিয়েছেন,

‘বিভিন্ন সূত্রে দেশে এ সফটওয়ার ব্যবহারের বিষয়টি কানে এসেছে। তবে কারা করছে তা এখনও পরিষ্কার নয়।’

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সাম্প্রতিক সাফল্যগুলোর পেছনে এ ধরনের সফটওয়ারের ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।’ তথ্য মতে, ফিনফিশার দূর নিয়ন্ত্রিত সার্ভেইল্যান্স সফটওয়ার। দূরের সার্ভার থেকে সন্দেহজনক ই-মেইল চিহ্নিতকরণ, গোপন পাসওয়ার্ড এবং স্কাইপে কলের অডিও চুরি করে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে পাঠিয়ে দেয়। অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নজরদারি করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ সফটওয়ার ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন, জার্মানির মিউনিখভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গামা ইন্টারন্যাশনাল এ সফটওয়ারটি তৈরি করেছে। ডিজিটাল মিডিয়া এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যভিত্তিক গামা গ্রুপ জানিয়েছে, সরকারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সফটওয়ারটি বিক্রি করা হয়। ২০১১ সালের মে মাসে ‘ফিনস্পাই’ সম্পর্কে প্রথম জানতে পারেন গুগলের প্রকৌশলী মরগ্যান মারকুইস ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের গবেষক বিল মারজাক। তারা ইন্টারনেট স্ক্যান করে দেখেন ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল’ সার্ভারের মাধ্যমে এ স্পাইওয়ার চলছে কমপক্ষে ১২টিরও বেশি দেশে। এ ব্যাপারে গামা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মার্টিন জের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘সাধারণ ক্রেতা নয়, আমরা এটি সরাসরি সরকারের কাছে বিক্রি করি।’ তবে বাংলাদেশে এখনও প্রকাশ্যে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বি:দ্র: এটি ইন্টারনেট থেকে প্রকাশিত আমি কোন প্রকার edit করিনি।
আপনার জন্য আমার আরও কিছু পোস্ট :


Share this article :

0 আপনার মতামত:

Post a Comment

আপনার যদি ভাল লাগে তাহলে আমরা খুশি হব। আমাদের অনুপ্রেরণা জানাতে কমেন্ট করুন আমাদের কে । আমরা আপনাকে আরও ভাল পোস্ট দেওয়ার চেষ্ঠা করব।
ভাই আমি যে বিষয় গুলো জানি তা পোস্ট করি ।
(বি:দ্র: যদি মনে হয় আমি এই বিষয় টি কপি করেছি তাহলে হ্যা কপি করেছি । কারণ আমি বিষয় টি সম্পর্কে কিছু জানি আর অন্য কে জানাতে পারি আরও সহজ ভাবে লিখি। ভাই অংক দুই ভাবে করা যায় একটি হচ্ছে সহজে আর একটি নিয়ম হচ্ছে কঠিন নিয়ম। আমি সহজ এবং সঠিক নিয়মে যদি কোন বিষয় প্রকাশ করি তাহলে ত হল। এতে করে যে লোক গুলো ভাল ভাবে কম্পিউটার জানে না তারা জানতে পারবে। আপনি কী চান না আমাদের দেশের সকল লোক কম্পিউটার সম্পর্কে জানুক? বি:দ্র টি লেখলাম য়ারা কম্পিউটার সম্পকে ভালে বা বেশি জানেন তাদের জন্য )

Computer Coures

Computer Coures
Naragonj computer center