ওয়েব ডিজাইনিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, এস.ই.ও হতে পারে আপনার অনলাইন আয়ের সঠিক পথ
![]() |
| ইল্যান্স এর একটি চিত্র। |
যারা ইন্টারনেটে কাজ করে টাকা আয় করতে চান তাদের বলছি সঠিক কাজ শিখে আপনি ভাল পরিমাণের অর্থ আয় করতে পারেন।
এক হিসেব অনুযায়ি, প্রতি মাসে প্রায় ১মিলিয়ন ওয়েবসাইট অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে।
সেখানে কাজের চাহিদা অনুযায়ি রিপোর্ট করা ১ম ৫টি কাজের লিস্ট দিচ্ছি।
এক হিসেব অনুযায়ি, প্রতি মাসে প্রায় ১মিলিয়ন ওয়েবসাইট অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে।
সেখানে কাজের চাহিদা অনুযায়ি রিপোর্ট করা ১ম ৫টি কাজের লিস্ট দিচ্ছি।
1) web programming
2) article writing
3) php
4) html
5) graphics design
এক্ষেত্রে মজার বিষয় হচ্ছে কাজ সবচাইতে বেশি ওয়েব প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত হলেও সারাবিশ্বে ওয়েব প্রোগ্রামিং জানা লোক গ্রাফিক ডিজাইনার কিংবা এসইও জানাদের তুলনায় অনেক কম। আর এ বিশাল গ্যাপটির সত্যতা চোখে পড়ে যখন ওডেস্ক কিংবা ইল্যান্স এ সম্পর্কিত জব অফারগুলো দেখি। একটা এসইও সম্পর্কিত জব কিংবা গ্রাফিকস সম্পর্কিত কাজের জন্য যত আবেদন জমা পড়ে ওয়েবপ্রোগ্রামিং সম্পর্কিত কাজের জন্য তার তুলনায় অনেকগুন কম কাজ পড়ে।
যেখানে কাজ সবচাইতে বেশি কিন্তু কাজ করার জন্য আবেদন পড়ে অনেক কম, সেখানে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাটা অনেক সহজ হবে, এটা খুব সহজেই বুঝতে পারি।
আসুন কিছু সঠিক এবং প্রয়োজনীয় বিষয় জানি এবং কিছু প্রশ্নের উওর জানি।
১. এডভান্স ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে কি কম্পিউটার সায়েন্স থেকে পাশ হতে হবে?
যারা কম্পিউটারের ওয়েব ডিজাইনিং বা ওয়েব প্রোগ্রামিং এর কাজ করতে চায় তাদের একটি ভুল দারণা আছে বা থাকে যে কম্পিউটারের ওয়েব ডিজাইনিং বা ওয়েব প্রোগ্রামিং হলে কম্পিউটার সাইন্স থেকে পাস করতে হয়।
এটি সম্পূর্ন ভুল। প্রকৃতপক্ষে বাহ্যিকভাবে দেখলে কম্পিউটার সায়েন্স থেকে পাশ করা স্টুডেন্টদেরই বেশি সফল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বেশিরভাগ ওয়েবডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত অফিসগুলোতে গেলেই যে তথ্য পাওয়া যায়, সেখানে দেখা যায় ৯০% ওয়েবডেভেলপারের এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড ভিন্ন।
ওডেস্ক বা বিভিন্ন ভাবে যারা ওয়েব ডিজানের কাজের সাথে যুক্ত তারা বেশি ভাগই পড়া-লেখার লাইন ভিন্ন। যেমন নিটটা সফট একটি ওয়েব ডিজানিং এবং এডভান্স ওয়েব ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান যারা বেশি ভাগই পড়ালেখার লাইন ভিন্ন। তাই বলছি আপনি ও পারবেন শুধু মাত্র একটি জিনিস প্রয়োজন যা হল আপনার ইচ্ছা শক্তি।
২. ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে কি করতে হবে?
এডভান্স ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে প্রয়োজন প্রচুর ধৈয্য, পরিশ্রম করার মনমানসিকতা, সঠিক গাইডলাইন সহ প্রশিক্ষণ ।
২. ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে কি করতে হবে?
এডভান্স ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে প্রয়োজন প্রচুর ধৈয্য, পরিশ্রম করার মনমানসিকতা, সঠিক গাইডলাইন সহ প্রশিক্ষণ ।
আর নিশ্চিত সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটু কষ্ট করতে, সাধনা করতে সবারই প্রস্তুত থাকার জন্য মন মানসিকতা না থাকলেতো জীবনটাকে সুখের করা সম্ভবনা। ২০হাজার টাকার চাকুরীর জন্য যদি জীবনের ৩০টি বছর পরিশ্রম করতে পারেন, তাহলে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ৭০-৮০ হাজার টাকার আয়ের জন্য মাত্র ৬মাস ভালভাবে পরিশ্রম করবেন না কেন? কিংবা এ পরিমাণ আয়ের জন্য এটুকু কষ্ট করতে যদি না চান, তাহলে স্বপ্নটা মনের মধ্যেই থেকে যাবে আউটসোসিং হবে আপনার জন্য গল্প। আমরা অন্যব্যক্তির আউটসোর্সিংয়ের আয় দেখে লোভ কিংবা হতভাগ হয়। আমাদের উচিত তাদের আয়কে লোভ না করে তারা কি পরিমাণ পরিশ্রম, কিংবা ত্যাগ স্বীকার করেছে এটুকু যে দিকে লক্ষ্য করি। টাকার পিছনে না ছুটে, যোগ্যতা তৈরির জন্য দৌড়াতে হবে। যোগ্যতা যখন তৈরি হবে, তখন দেখবেন টাকা আপনার পিছু ছুটবে। এই নিয়ে যদি আপনার মনে যদি এখন কোন প্রশ্ন জাগে তাহলে এখনই কল করে প্রশ্নের উত্তর জানুন। এক জন্য ওয়েব ডিজাইনার এর ফোন নাম্বার- 01921512249.
৩. একজন ওয়েব ডিজাইনার কত আয় করতে পারে ?
এই প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় । প্রশ্নটি এক কথায় উত্তর দেওয়া যায় না যদিও,
একজন ওয়েবডিজাইনার ওয়েবসাইট লেআউট তৈরি, থিম তৈরি, এবং কোডিং করে থাকেন। এসইও বিষয়ক জ্ঞানগুলোও থাকা প্রয়োজন একজন ওয়েব ডিজাইনারের। কারণ ওয়েবসাইটকে এসইও ফ্রেন্ডলী করে ডিজাইন করা একজন ওয়েব ডিজাইনের দায়িত্ব।
৩. একজন ওয়েব ডিজাইনার কত আয় করতে পারে ?
এই প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় । প্রশ্নটি এক কথায় উত্তর দেওয়া যায় না যদিও,
একজন ওয়েবডিজাইনার ওয়েবসাইট লেআউট তৈরি, থিম তৈরি, এবং কোডিং করে থাকেন। এসইও বিষয়ক জ্ঞানগুলোও থাকা প্রয়োজন একজন ওয়েব ডিজাইনারের। কারণ ওয়েবসাইটকে এসইও ফ্রেন্ডলী করে ডিজাইন করা একজন ওয়েব ডিজাইনের দায়িত্ব।
এসব বিষয়ে দক্ষ একজন ওয়েবডিজাইনারে বেতন সারাবিশ্বের যেকোন জায়গাতে কিংবা মার্কেটপ্লেসগুলোতে ঘন্টা প্রতি ২০ ডলার হতে ৫০ ডলার হয়ে থাকে, যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন হয়ে থাকে ১০-২০ ডলার প্রতি ঘন্টা। এ রেট দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে আর ও অনেক বেশি হয়ে থাকে। যেমনঃ একজন ট্যালেন্ট এবং অনেক পরিশ্রমী ওয়েবডেভেলপারের বেতন বাৎসরিক ৫০,০০০ডলার হওয়াটাও অতি স্বাভাবিক ঘটনা।
৪. ওয়েব ডিজাইন আর ওয়েব ডেভেলপার বলতে কী বুঝায় ?
এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আগে জানা দরকার ওয়েবডিজাইন কিংবা ওয়েবডেভেলপিংয়ের মধ্যে পার্থক্য।
ওয়েব ডিজাইনঃওয়েব সাইটের বাইরের দিকটা যা দেখছেন, অর্থাৎ ডিজাইন, লে-আউট, কালার সব কিছু ওয়েব ডিজাইনের মধ্যে পড়ে। আর এজন্য জানা থাকতে হয় গ্রাফিক্স, html, css, jquery, javascript ইত্যাদি
ওয়েবডেভেলপঃ ওয়েব সাইটটির পিছনে যদি কোন অ্যাপ্লিকেশন থাকে কিংবা ওয়েব সাইটটিরে যে যে অংশটুকু কোডিংকে স্পর্শ ছাড়া পরিবর্তন করা যায়, সেইটুকুই ওয়েবডেভেলাপ।
এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আগে জানা দরকার ওয়েবডিজাইন কিংবা ওয়েবডেভেলপিংয়ের মধ্যে পার্থক্য।
ওয়েব ডিজাইনঃওয়েব সাইটের বাইরের দিকটা যা দেখছেন, অর্থাৎ ডিজাইন, লে-আউট, কালার সব কিছু ওয়েব ডিজাইনের মধ্যে পড়ে। আর এজন্য জানা থাকতে হয় গ্রাফিক্স, html, css, jquery, javascript ইত্যাদি
ওয়েবডেভেলপঃ ওয়েব সাইটটির পিছনে যদি কোন অ্যাপ্লিকেশন থাকে কিংবা ওয়েব সাইটটিরে যে যে অংশটুকু কোডিংকে স্পর্শ ছাড়া পরিবর্তন করা যায়, সেইটুকুই ওয়েবডেভেলাপ।
ওয়েবডেভেলপিং কাজ করার জন্য জানা থাকতে হবে, php, mysql
বি:দ্র: মনে রাখবেন আপনি যেখান থেকে শিখেন না কেন অবশ্যয় এই দুইটি বিষয় এক সাথে শিখবেন যা হল “ এডভান্স ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপিং।
৫. কত দিন লাগবে, এডভান্স ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপিং শিখতে।
১) নিজের পরিশ্রমের পরিমান।
২) সঠিক গাইডলাইন
৩) প্রশিক্ষণের মাধ্যম।
এই তিন টি বিষয় যদি থাকে তাহলে আপনি ৪,৫,৬ মাসে সম্পূন করতে পারবেন বাকি টা আপনি যখন ভিবিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ করবেন তখন আরও বেশি জানতে পারবেন।
ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে শিখতে গেলেও তাদের প্রশিক্ষকদের মধ্যে এ সঠিক বিষয় রয়েছে কিনা তা জানুন রয়েছে কিনা সেটি জেনে নিন। সঠিক ব্যক্তির কাছ থেকে সঠিক গাইডলাইন পেয়ে এবং নিজের পরিশ্রম করলে অবশ্যই একজন ভালমানের ওয়েবডেভেলপার হতে পারবেন।











1 আপনার মতামত:
খুব ভালো এক্টি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ । অনলাইনে আয়ের মধ্যে এস ই ও করে আয়টা আমার খুব ভালো লাগে , এস ই ও গুরুত্তপুন্য টিপস পেতে এই সাইটটি দেখতে পারেন
Post a Comment
আপনার যদি ভাল লাগে তাহলে আমরা খুশি হব। আমাদের অনুপ্রেরণা জানাতে কমেন্ট করুন আমাদের কে । আমরা আপনাকে আরও ভাল পোস্ট দেওয়ার চেষ্ঠা করব।
ভাই আমি যে বিষয় গুলো জানি তা পোস্ট করি ।
(বি:দ্র: যদি মনে হয় আমি এই বিষয় টি কপি করেছি তাহলে হ্যা কপি করেছি । কারণ আমি বিষয় টি সম্পর্কে কিছু জানি আর অন্য কে জানাতে পারি আরও সহজ ভাবে লিখি। ভাই অংক দুই ভাবে করা যায় একটি হচ্ছে সহজে আর একটি নিয়ম হচ্ছে কঠিন নিয়ম। আমি সহজ এবং সঠিক নিয়মে যদি কোন বিষয় প্রকাশ করি তাহলে ত হল। এতে করে যে লোক গুলো ভাল ভাবে কম্পিউটার জানে না তারা জানতে পারবে। আপনি কী চান না আমাদের দেশের সকল লোক কম্পিউটার সম্পর্কে জানুক? বি:দ্র টি লেখলাম য়ারা কম্পিউটার সম্পকে ভালে বা বেশি জানেন তাদের জন্য )